রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘মহামায়া’
কণ্ঠে – জয়িতা ব্যানার্জী

জয়িতা ব্যানার্জী
স্কুল শিক্ষিকা হিসাবে নিজেকে মগ্ন রাখা জয়িতার ব্রত।বাচ্চাদের মধ্যে নিজেকে বিলিয়ে দিতে তাঁর জুড়ি মেলা ভার। বেশ কয়েকবছর যাবৎ আবৃত্তিতে,কবিতাতে নিজেকে মগ্ন রাখা,কবিতাকে অসম্ভব ভালোবাসা তাঁকে নতুন করে বাঁচতে শিখিয়েছে।দিনের বেশিরভাগ সময়টা স্কুলের বাচ্চাদের নিয়ে মেতে থাকলেও বাকি সময়টা নিয়মিত আবৃত্তি চর্চার মধ্যে দিয়ে তাঁর অতিবাহিত হয়।হাওড়ার একটি নামি সংস্থা“শ্রুতিমঞ্জিল” এর সাথে যুক্ত হওয়ার কারণে কলকাতার রবীন্দ্রসদন,বাংলাএকাডেমি,আই.সি.সি.আর হল,ও আরো অনেক মঞ্চে একক ও দলগত আবৃত্তি উপস্থাপন করেছেন জয়িতা বন্দ্যোপাধ্যায়।এছাড়াও হাওড়ার বিভিন্ন স্থানে ও মঞ্চে একক আবৃত্তি পরিবেশন করেছেন।“শম্পা সাহিত্য পত্রিকা” আয়োজিত সারা বাংলা আবৃত্তি উৎসব এ একক আবৃত্তি পরিবেশন করার সাথে সাথে আরো বেশ কিছু স্থানে আবৃত্তি পরিবেশনের জন্য আমন্ত্রিত ও ছিলেন। বর্তমানে বেশ কিছুদিন ধরে সোশ্যাল মিডিয়ায় “ইচ্ছে ডানা ” নামের একটি জনপ্রিয় প্লাটফর্মে নিয়মিত আবৃত্তি পরিবেশন করেন তিনি। এছাড়াও টুকটাক গল্প,কবিতা ,ভ্রমণ কাহিনী লেখার অভ্যাস আছে।বেশ কয়েকটি নামী পত্রিকাতেও প্রকাশিত হয়েছে।বাইরে বাইরে ভ্রমণ ভীষণ পছন্দের তাঁর।ভ্রমণ নিয়ে ছোটখাটো ব্লগ বানাতেও খুব ভালোবসেন ও একপ্রকার নেশা বলতে পারেন। স্কুলের ছুটির ফাঁকে ভ্রমণের মাধ্যমে মন মেজাজ এর পরিবর্তনে বিশ্বাসী জয়িতা জীবনে চলার পথে সবকিছু সহজভাবে নিতে ভীষণ পছন্দ করেন।ভালোবাসেন মানুষকে।তাই যুক্ত হন “স্বপ্ন দেখার উজান গাঙ“এর সাথে যাঁরা থাকেন রাতদিন মানুষের জন্য মানুষের পাশে সবসময়। উত্তরোত্তর শ্রীবৃদ্ধি প্রার্থনা করেন তাদের,যারা মানবের সেবায় নিয়োজিত ক্রমাগত।খুব সহজে মানুষকে বিশ্বাস করতে ভালোবাসেন। কর্মের ফলে নয়,কর্ম সম্পাদনায় বিশ্বাস রাখেন।









