সুমন হাইত’এর কলমে
আর্ট ডিরেকশন : প্রসেনজিৎ বেরা
কনকচাঁপায় ফুল এসেছে,
প্রথম ফুল।
কিবা তার বাহার!
আমারই বসানো,
ওর দেওয়া প্রেমের উপহার।
কই আসে নাতো ফুলের সুবাস,
একদমক মুক্ত বাতাস!
মন ফেরাতে এবার চালাই
কবি রবির গান,
কত্ত প্রিয় মোর,
মনকেমনের দাওয়াই।
তাও আজ বড্ড বাজে,
নীরস, বেসুরো লাগে!
বিছানায় পাতি নীল বেডশিট
নতুন প্রিন্ট, আনকোরা।
গত সেলে আমাদের কেনা।
কত বাছাবাছি,
কত দরাদরি,
শেষে বগলদাবায় ঘরে আনা।
তাতেও তো নজর পড়ে না মোটে,
মনের উচাটন থামে না কোনমতে!
মন রাঙাতে নিজেকে সাজাই
গলায় মুক্ত,পরনে ঢাকাই।
হালকা মেক আপ,
শুধু কাজল থাকে পুরু,
তাতেও তো মন ভরে না,
অস্থির, দুরুদুরু।
গরম ভাতে খানিক ঘি,
দোসর আলুভাতে,
ভাতের থালা নিমেষে সাফ
এই পড়লে পাতে।
তাও যেন লাগে বিস্বাদ!
জানি না,
কেন এই মনের প্রতিবাদ?
কারণ খুঁজতে মন হাতড়াই,
স্মৃতি খুঁজি প্রাণপণে;
নীল ঘূর্ণির প্রণয় দোলায়
গ্রহণ লেগেছে বুঝি মনে!

সুমন হাইত
স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার সময় সেভাবে লেখার অভ্যাস বা অবকাশ কোনোটাই হয়ে ওঠে নি। এরপর চাকরি খোঁজার মরিয়া প্রচেষ্টায় পরের কয়েক বছর পার। স্কুল শিক্ষক হিসেবে কর্মরত হওয়ার পরে অল্পস্বল্প লেখার অভ্যাস তৈরি হয়। তাও অবরেসবরে। প্রতিদিন নিয়ম করে পেন, খাতা নিয়ে বসার অভ্যাস আজও ঠিকমতো গড়ে তুলতে পারলাম না। না, এর জন্য সময়কে কাঠগোড়ায় না তুলে অভিযুক্ত করবো নিজে চপল মানসিকতাকে। তার অর্থ ওই….. ভালো লাগলে লিখি, আর না লাগলে লিখি না। ব্যাস, এটুকুই। আর এটুকুতেই যদি কিছু পাঠকের মনে ছাপ ফেলতে পারি, তবে সে আমার পরম প্রাপ্তি। পাঠকের স্বস্তি ও আশীষই তো এক উঠতি লেখকের সম্বল। তাকেই পাথেয় করে এগোতে চাই, আমি, সুমন হাইত।









